১৮ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
ট্র্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে অধ্যাপক গোলাম আযমের আপিল
৭ আগস্ট ২০১৩, বুধবার,
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ও বর্ষীয়ান জননেতা অধ্যাপক গোলাম আযম ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। অধ্যাপক গোলম আযমকে নির্দোষ উল্লেখ করে আপিলে ট্রাইব্যুনালের রায় বাতিল এবং খালাস চাওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে অধ্যাপক গোলাম আযমের পক্ষে এডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আপিল করেছেন। রায় ঘোষণার ২১ দিনের মধ্যে এই আপিল করা হলো। যদিও ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ ছিল। কিন্তু ঈদ ও পরবর্তীতে হরতালের কারণে ৯ দিন আগেই আপিল করতে হয়েছে।
পরে এক ব্রিফিংয়ে ডিফেন্স টীমের অন্যতম সদস্য এডভোকেট তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা রায় বাতিল এবং খালাস চেয়ে আপিল দায়ের করেছি। আপিল নম্বর ১০২/২০১৩। আপিলে বলা হয়েছে প্রসিকিউশন সুনিদিষ্ট অভিযোগ দেখাতে পারেনি, এবং সাজার আইনগত যুক্তি নেই। অধ্যাপক গোলাম আযম নির্দোষ। তিনি জানান আপিলে মোট ১০৯টি যুক্তি দেয়া হয়েছে। মূল আপিল ৯৫ পৃষ্ঠার
তাজুল ইসলাম বলেন, রায়ে বলা হয়েছে টিক্কা খানের সঙ্গে অধ্যাপক গোলাম আযম দেখা করেছেন ও বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু দেখা করে কী করেছেন, সে বিষয়ে প্রসিকিউশন কোনো বিবরণ দেয়নি। তাই সাজা হতে পারে না। বক্তব্য দেয়ার কারণে অপরাধের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ হয় না।
গত ১৫ জুলাই অধ্যাপক গোলাম আযমকে ৯০ বছরের কারাদ- দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। রায় ঘোষণার পরে ডিফেন্স টীমের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক ঘোষণা দেন আপিল করার।
ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেছিলেন, এ রায় ন্যায়ভ্রষ্ট ও আবেগতাড়িত। আমরা ক্ষুব্ধ ও বিস্মিত। আইনের দৃষ্টিতে এ রায় কোন রায়ই নয়। তিনি বলেন, সারা দুনিয়ার ফৌজদারী মামলার ইতিহাসে এমন আরেকটি রায় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আমরা এটা সুস্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে আনীত ৬১টি অভিযোগের একটিও প্রমাণ করতে পারেন নাই। এটা প্রসিকিউশনের চরম ব্যর্থতা।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=123999